গা-জা-য় ক্ষুধা কেমন? একটি স্বাভাবিক মানুষের বেঁচে থাকতে দরকার হয় প্রায় ২০০০ kCal দৈনিক।
উত্তর গা-জা-তে ২০২৪ সাল থেকে শুরু করে মানুষের দৈনিক ক্যালোরি ইনটেকের হার ২৪৫ kCal.
ভাবতে পারেন অনলি ২৪৫kCal.
গা-জা-য় যে কীভাবে দিন কাটাচ্ছে তা আমরা তিন বেলার জায়গায় পাঁচ বেলা খাওয়া মানুষেরা বুঝবো কীভাবে? কীভাবে ক্ষুধায় কঙ্কাল হয়ে মৃ-ত্যুর মুখোমুখি হচ্ছে গা-জা-বা-সী।
একজন মানুষকে অনাহারে মেরে ফেলতে লাগে এক সপ্তাহ। মেরে ফেলার এই পদ্ধতিটা ধীরগতির, দীর্ঘ এবং অসম্ভব যন্ত্রনার। নাড়িভুঁড়ি শুকিয়ে আসে,চোখের ভেতর আলো নিভে আসে, গলার স্বর নিঃশব্দ আত্মসমর্পণে রূপ নেয়। মৃত্যুর আগেই যেনো মৃত্যু হয়ে যায়। ধুকে ধুকে, অনাহারে, অসহায় হয়ে মারা যাওয়া মানুষের যন্ত্রনা মাপার কোনো স্কেল নাই।
গাল বসে যায়, চোখের নিচে অন্ধকার বাড়ে, মায়ের কোলে থাকা শিশুরা হঠাৎ করেই নীরব হয়ে যায়। একদিন তারা কান্না বন্ধ করে দেয়।
এই যেনোসাইড উইপন থেকে কেউ বাদ পড়ছে না, নিউবর্ন বেবি, জোয়ান, বুড়ো সবাই এমন মৃত্যু বরণ করে নিচ্ছে। বাচ্চাদের জন্য এরকম যন্ত্রণা সবচেয়ে বেশি সাফোকেটিং।
এখনকার সিচুয়েশনে সবচেয়ে পেইনুফুল দিকটা হচ্ছে এইড বা ত্রাণ একটা ডেথ ট্র্যাপে পরিণত হয়েছে।
মে মাস থেকে আজ পর্যন্ত হাজারের উপর প্রাণ ঝরে গেছে শুধু ত্রাণ আনতে গিয়ে।আনতে যাবেন খাবার, ফিরবেন লাশ হয়ে। আবার খাবার ছাড়াও তো মারা যাওয়া লাগবে! গত কয়েক দিনে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ হচ্ছে। আমরা সরাসরি গাজায় প্রতিনিধির মাধ্যমে বিতরণ করে থাকি।
চোখের সামনে এভাবে খাবারের অভাবে মরে যাওয়া দেখা কী করে সম্ভব?হ্যা, অনুভূতিহীন হলে সম্ভব! আপনি বিবেকহীন হলে মুসলিম ভাই বোনদের জন্য এড়িয়ে যাবেন। বিবেকবান হলে কম পক্ষে একটা এমাউন্ট তাদের জন্য দান সহযোগিতা করবেন।
Free on order over ৳. 500
100% security payment
7 day money guarantee
Support every time fast